ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বাসায় থাকা মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বিয়েতে রাজি না হওয়ার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার কৈয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আজ মঙ্গলবার সকালে ওই তরুণী ও তাঁর বাবা-মাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুর্বৃত্তরা বাড়ি থেকে নগদ তিন লাখ টাকা ও ১১ ভরি স্বর্ণলংকার লুট করে নিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক।
পুলিশ ও ওই পরিবারের সদস্যরা জানায়, অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে একতলা বাড়িতে বসবাস করতেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ওই মেয়েটির সঙ্গে এক যুবকের পরিচয় হয় এবং মেয়েটির সঙ্গে মাঝে মাঝে কথা বলত ওই যুবক।এরই মধ্যে অন্যত্র মেয়েটির বিয়ে ঠিক করেন তার বাবা-মা। এতে ওই যুবক ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়েটিকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়। মঙ্গলবার ভোরে তিন দুর্বৃত্ত ছাদের গ্রিল কেটে বাসার ভেতরে ঢুকে। তারা প্রথমে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তাকে চেতনানাশক স্প্রে দিয়ে অচেতন করে।একই কায়দায় তাঁর স্ত্রীকে অচেতন করে রান্না ঘরে আটকে রাখে। একপর্যায়ে সদ্য বাগদান হওয়া মেয়ের ওপর স্প্রে করে অচেতন অবস্থায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে দুর্বৃত্তরা বাড়ি থাকা তিন লাখ টাকা ও ১১ ভরি স্বর্ণ লুট করে পালিয়ে যায়। ওই শিক্ষা কর্মকর্তার জ্ঞান ফিরলে তিনি বিষয়টি স্থানীয়দের জানান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণের শিকার মেয়ে ও তাঁর মাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ঘটনার শিকার পরিবারের তিনজনের ওপরই চেতনানাশক ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। বর্তমানে তাঁরা শঙ্কামুক্ত।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। একটি ছেলে ধর্ষণের শিকার মেয়ে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ফেসবুকে ও ফোনে হুমকি দিত। সম্প্রতি মেয়েটির বিয়ে ঠিক হয়। এর জেরে পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটতে পারে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। অপরাধীরা কোনোভাবে ছাড় পাবে না।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণের শিকার মেয়ে ও তাঁর মাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ঘটনার শিকার পরিবারের তিনজনের ওপরই চেতনানাশক ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। বর্তমানে তাঁরা শঙ্কামুক্ত।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। একটি ছেলে ধর্ষণের শিকার মেয়ে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ফেসবুকে ও ফোনে হুমকি দিত। সম্প্রতি মেয়েটির বিয়ে ঠিক হয়। এর জেরে পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটতে পারে। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। অপরাধীরা কোনোভাবে ছাড় পাবে না। মুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, অপারাধী ধরতে পুলিশের অভিযান চলমান। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে অভিযোগ পেলে মামলা নথিভুক্ত করা হবে।